নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

 

 

 

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন অনাস্থা ভোটে জয়ী হয়েছেন। এর ফলে আগামী এক বছর বরিসের বিরুদ্ধে দলের মধ্য থেকে কোনো ধরনের অনাস্থা প্রস্তাব আনা যাবে না।

 

 

 

 

বিবিসি জানায়, গতকাল সোমবার রাতে ক্ষমতাসীন দল কনজারভেটিভ এর এমপিদের এক গোপন ব্যালটে বরিস জনসন প্রধানমন্ত্রী থাকবেন কি না তা নিয়ে ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হয়। ভোটাভুটিতে বরিসের পক্ষে ভোট পড়ে ২১১টি। আর বিপক্ষে ভোট পড়ে ১৪৮টি।

 

 

 

 

করোনা মহামারিতে বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে সরকারি বাসভবনে একাধিক পার্টির আয়োজন করেছিলেন বরিস জনসন।

 

 

 

 

পরে এ ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। শুরুতে বরিস পার্টির কথা অস্বীকার করলেও পরে তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রকাশ্যে ক্ষমা চান। ‘পার্টিগেট কেলেঙ্কারি’ নামে পরিচিত পাওয়া ঘটনার জন্য সোমবার দলীয় পার্লামেন্ট সদস্যদের অনাস্থা ভোটের মুখে পড়েন বরিস।

 

 

 

 

ভোটাভুটির পর শিক্ষামন্ত্রী নাদিম জাহাউই বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী সুন্দরভাবে ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। আমি আশা করি আমরা বিষয়টি বিশেষভাবে লক্ষ্য করব।

 

 

 

 

কনজারভেটিভ পার্টির ‘১৯২২ কমিটি’ দলটির নেতৃত্ব নির্বাচনে কাজ করে থাকে। এই কমিটিতে দলটির ১৫ শতাংশ আইনপ্রণেতা যদি চিঠি দিয়ে দলের নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করলে তা অনাস্থা ভোটে গড়ায়।

 

 

 

 

ওই কমিটি গতকাল সোমবার অনাস্থা ভোটের আয়োজন করে।

 

 

 

 

বাংলাদেশ সময় রাত ২টার পর ভোট গণনা শেষে কমিটির চেয়ারম্যান স্যার গ্রাহাম ব্রাডি বলেছেন, ‘আমি ঘোষণা করছি যে, পার্লামেন্টারি পার্টির প্রধানমন্ত্রীর ওপর আস্থা রয়েছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published.