আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহী-১আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধে ফের প্রোপাগান্ডা, মানহানিকর, মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত
খবর প্রকাশের অভিযোগ উঠেছে। এদিকে এই খবর ছড়িয়ে পড়লে জনমনে তীব্রক্ষোভ ও অসন্তোসের সৃষ্টি হয়েছে, উঠেছে সমালোচনার ঝড়। অন্যদিকে দেশের দায়িত্বশীল একটি গণমাধ্যম ও গণমাধ্যমকর্মীকে নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে, বইছে মুখরুচোক নানা গুঞ্জন, প্রশ্ন উঠেছে তাদের দায়িত্বশীলতা নিয়েও। অনেকে বলছে, জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত একজন সাংসদকে নিয়ে
অর্থের বিনিময়ে এমন মানহানিকর ও মিথ্যা বানোয়াট খবর প্রকাশ করা হয়েছে যা গণমাধ্যম নীতিমালার পরিপন্হী ও নিন্দনীয়।

জানা গেছে, সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে “মঞ্চ থেকে সভাপতি-সম্পাদককে তাড়িয়ে দিলেন এমপি’শিরোনামে খবর প্রকাশ করা হয়েছে, যা সম্পুর্ন মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট, মানহানিকর ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ৪ জুন শনিবার উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক আব্দুল্লাহ্ আল মামুনের সঞ্চালনায় ও সভাপতি গোলাম রাব্বানীর সভাপতিত্বে উপজেলা অডিটোরিয়ামেে আগামি ১৬ জুন উপজেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিল সফল করতে বিশেষ বর্ধিত সভা আয়োজন করা হয়। বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অনিল কুমার সরকার, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলার সম্পাদক ও সাবেক এমপি আব্দুল ওয়াদুদ দারা বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলার সহসভাপতি অধ্যক্ষ এসএম একরামুল হক, জাকিরুল ইসলাম সান্টু ও শরিফ খাঁন, সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাডঃ আব্দুস সামাদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক
এ্যাডঃ এজাজুল হক মানু,
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক
উপাধ্যক্ষ শহিদুল করিম শিবলী, জেলা মহিলা লীগ সভাপতি মর্জিনা পারভীন, কেশরহাট পৌর মেয়র
শহিদুজ্জামান শহীদ, তানোর উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না, মুন্ডুমালা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সম্পাদক আমির হোসেন আমিন,তানোর পৌর আওয়ামী লীগের সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকার, উপজেলা যুবলীগের সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবুল বাসার সুজন প্রমুখ।এছাড়াও ইউপি চেয়ারম্যান, পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের সাংগঠনিক নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণ উপস্থিত ছিলেন। এদিন রাব্বানী-মামুনের আগমনের খবরে দিনের শুরু থেকেই নেতাকর্মীদের মধ্যে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছিল। স্থানীয় সাংসদ ও জেলা নেতাদের অনুরোধেও এসব বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা শান্ত হচ্ছিল না। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অনুষ্ঠানের শুরুতেই উপজেলা সভাপতি গোলাম রাব্বানী ও সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন মঞ্চে উঠা মাত্র নেতাকর্মীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠে বলেন, তানোরে আওয়ামী লীগবিরোধী যতো অপশক্তির আর্বিভাব ঘটেছে সব তাদের হাতে, তারা নৌকাবিরোধীদের গডফাদার, মিরজাফর-মোস্তাক, বেঈমান-চশমখোর ও বিএনপি-জামায়াতের এজেন্ট অ্যাঙ্খায়িত করে নানা স্লোগান দিয়ে জুতা-স্যন্ডেল নিক্ষেপ করে তাদের দিকে ধেয়ে আসে। এ সময় তারা পিছনের দরজা দিয়ে ভৌঁ-দৌড়ে পালিয়ে গিয়ে তানোর পৌরভবনে আশ্রয় নেয়। এখন প্রশ্ন হলো এমপি কি ভাবে সভাপতি-সম্পাদককে মঞ্চ থেকে নামিয়ে দিলেন, সেখানে তো জেলার নেতারা ছিলেন, আর একজন এমপি কি এতোটাই বোকা এমন কাজ করে নিজে বির্তকিত হবেন, তাছাড়া আয়োজন টা ছিল উপজেলা আওয়ামী লীগের এমপি ছিলেন অতিথি, এখানে তো এমপির করনীয় কিছু নাই। তাহলে একজন এমপিকে জড়িয়ে কেনো এমন মিথ্যাচার ? জেলার নেতার উপস্থিতিতে তারা পালিয়েছে, কিন্ত্ত এমপিকে বির্তকিত করতে উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত হয়ে মিথ্যাচার করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.