আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরের কলমা
ও কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি)
প্রায় দেড় হাজার বিঘা জমিতে সম্পুরুক সেচের লক্ষ্য প্রায় ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে সাড়ে তিন কিলোমিটার মজা খাল পুনঃখনন করা হচ্ছে। কিন্ত্ত ভেঁকু দালাল ও পুকুর সিন্ডিকেট চক্রের মুলহোতা কেশরহাট এলাকার সাদিকুল ইসলাম ওরফে শাফি ও আব্দুল করিমের দৌরাত্ম্য এই প্রকল্প কৃষকের কোনো উপকারে আসবে
না বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে উপজেলার কলমা ও কামারগাঁ ইউপির কয়েক হাজার বিঘা ফসলী জমি অনাবাদি হতে চলেছে, দায় নিবে কে ? যেখানে সরকার প্রধান বলছেন এক ছটাক কৃষি জমি অনাবাদি রাখা যাবে না, সেখানে হাজার হাজার বিঘা কৃষি জমি অনাবাদি করছে এদের খুঁটির জোর কোথায় ? না কি এরা সরকার প্রধানের থেকেও ক্ষমতাধর !
জানা গেছে, এই দুই ইউপির মাঝের হাতিশাইল ফসলী মাঠে। পানি প্রবাহের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। কৃষি জমিতে অবৈধ পুকুর খনন করা হচ্ছে। এসব পুকুরের কারণে অসময়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে হাজার হাজার বিঘা ফসলী জমি অনাবাদি হবার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,
হাতিশাইল মাঠে এসব অবৈধ পুকুর খনন সম্পন্ন হলে অসময়ে জলাবদ্ধতার কারণে এলাকার অমৃতপুর, আজিজপুর, নড়িয়াল, চন্দনকৌঠা, ঘৃতকাঞ্চন, কুজিশহর, হাতিনান্দা, নেজামপুর, হরিপুর, ছাঐড় ও হিরানন্দপুরসহ প্রায় ১০টি গ্রামের কয়েক হাজার বিঘা ফসলী জমি অনাবাদি হয়ে পড়বে। এতে খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হবার পাশাপাশি হাজার হাজার মানুষকে চরম দুর্ভোগে পোহাতে হবে। হাতিনান্দা গ্রামের বাসিন্দা ও কৃষক লীগ নেতা মুন্তাজ আলী বলেন, ভেঁকু দালালদের দৌরাত্ম্য দেখে মনে হয় দেশে আইন নাই, তা না হলে প্রকাশ্যে দিবালোকে কেউ এভাবে কৃষি জমি ধ্বংস করতে পারে।এবিষয়ে কামারগাঁ ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আলী প্রামানিক ও ইউপি সদস্য লুৎফর রহমান প্রচন্ড ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রশাসন যদি অবৈধ পুকুর প্রতিরোধ না করে তাহলে মানুষ কার কাছে যাবে। এবিষয়ে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সোনীয়া সরদার বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বার বার বলছে কৃষি জমির শ্রেণী পরিবর্তন করা যাবে না। কিন্তু এরা প্রকাশ্যে
কৃষি জমি ধ্বংস করছে,তবুও প্রশাসন নিরব কেন ?

Leave a Reply

Your email address will not be published.