আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন আগামি ১৫ জুলাই শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সার্থক ও সফল করতে প্রস্ত্ততি সভা আয়োজন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যগণ কমিটি গঠনে সংশ্লিষ্ট সাংসদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে কমিটি দিতে কেন্দ্রের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
জানা গেছে, ৭ জুলাই বৃহস্পতিবার উপজেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে রাজশাহী শহরে স্থানীয় সাংসদের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত প্রস্ত্ততি সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য শরিফ খাঁন, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি ও চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসম্পাদক রামকমল সাহা, সাংগঠনিক সম্পাদক ওহাব হোসেন লালু, দপ্তর সম্পাদক জিল্লুর রহমান,
মুন্ডুমালা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সম্পাদক আমির হোসেন আমিন, তানোর পৌর আওয়ামী লীগের সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকার,কলমা ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপন, সম্পাদক আহসান হাবিব রওশন, বাঁধাইড় ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, সম্পাদক ও চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, পাঁচন্দর ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন, চাঁন্দুড়িয়া ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান, কামারগাঁ ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বী ফরহাদ, সম্পাদক সুফি কামাল মিন্টু, সরনজাই ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুল মালেক, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আলহাজ্ব সাইদুর রহমান সরকার ওরফে আবু সাঈদ ও উপজেলা যুবলীগের সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম প্রমুখ। এছাড়াও উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নেতাকর্মীদের তোপের মুখে পড়ার ভয়ে সভাপতি গোলাম রাব্বানী ও সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল-মামুন সভায় উপস্থিত হতে পারেননি। রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল এক জৈষ্ঠ নেতা বলেন, যারা আওয়ামী লীগের পদপদবী ব্যবহার করে মোটাতাজা ও সমাজে সম্মানিত হয়েছেন, অথচ ভোটের মাঠে আওয়ামী লীগের বিপক্ষে ভোট করেছেন, অন্যদের উৎসাহিত ও মদদ দিয়েছেন, তাদের পদে আশা তো পরের কথা, সম্মেলনে প্রার্থী হতে পারবেন না। তিনি বলেন, তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম রাব্বানী ও সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনের স্বপদে ফিরে আশার কোনো সুযোগ নাই। তিনি বলেন, তাদের বিরুদ্ধে এখানো কেনো কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি, তা জানতে চেয়ে তৃণমুল তাদের বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের ভাষ্য, এবার কমিটি গঠনে সংশ্লিষ্ট সাংসদের মতামতকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। কারণ জাতীয় রাজনীতিতে দলের সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর কাছে যারা আস্থাশীল, বিশস্ত, আদর্শিক নিবেদিতপ্রাণ, যাদের নিয়ে রাজনীতি করতে সাচ্ছন্নবোধ করেন তাদের সাধারণ নির্বাচনে দলের টিকিট দেন। একইভাবে তৃণমুলের রাজনীতি করেন সাংসদরা। ফলে সংশ্লিষ্ট সাংসদগণ যাদের প্রতি আস্থাশীল, বিশ্বাসী ও নিবেদিতপ্রাণ কমিটি গঠনে তাদের সাংগঠনিক গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্ব দিবেন সেটাই স্বাভাবিক। সংশ্লিষ্ট সাংসদদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে কমিটি গঠন করা না হলে, আগামি নির্বাচনে তার বিরুপ প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে

Leave a Reply

Your email address will not be published.