আহসান হাবীব স্টাফ রিপোর্টার


একটা প্রবাদ আছে, অল্প শোকে কাতর আর অধিক শোকে পাথর। আয়েশা বেগমের ক্ষেত্রে আজ যেন এই কথাটা শতভাগ ফলে গেছে। শীতের মরা গাঙের মতো তার চোখের সব পানি যেন শুকিয়ে গেছে। সত্যিই তার চোখ দুটো যেন পাথর হয়ে গেছে।

নোয়াখালী সুবর্ণচর উপজেলার চরবাটা ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন আনচার মিয়ার হাট এতিমখানা থেকে রাকিব হোসেন (১০) নামে নিখোঁজ হওয়া ছাত্রটির বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানার কুশাখালী ইউনিয়নের ফরাসগঞ্জ গ্রামে, পিতাঃ- আব্দুর রহিম পেশায় একজন রিকশাচালক, মাতাঃ- আয়েশা খাতুন বাসাবাড়িতে কাজ করে জীবন যাপন করেন, চার ভাইয়ের মধ্যে রাকিব সবার ছোট, গরীব মায়ের আশা ছিলো ছেলেটি লেখাপড়া করে তার মুখে হাসিফুটাবে, সেই আশা চুর্ণবিচুর্ণ হয়ে যায় অসহায় মায়ের। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২০তারিখ বেলা ২ঘটিকার সময় ছেলেটি আনচার মিয়ার হাট এতিমখানা থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়।

অনেক খোঁজাখুঁজির পরও কোনো সন্ধান না পেয়ে ওই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা আবুল কাশেম চরজব্বার থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (নং-৮৮২০) দায়ের করেন।

এদিকে, সন্তান নিখোঁজের ঘটনায় দুশ্চিন্তায় মা আয়েশা বেগম। সন্তানের জন্য দুশ্চিন্তা করতে করতে মা আয়েশা বেগম অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। যাকে সামনে পাচ্ছেন, তার কাছেই সন্তানকে ফিরে পেতে আকুতি জানাচ্ছেন।


নিখোঁজ ছাত্রের মা আয়েশা বেগম জানান, প্রায় তিন বছর ধরে আমার ছোট ছেলে রাকিব হোসেন আনচার মিয়ার হাট এতিমখানায় লেখাপড়া করত এবং মাদ্রাসাতেই থাকত।
২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসের বিশ তারিখ বেলা ২ ঘটিকার সময় আমার ছেলে মাদ্রাসা থেকে হারিয়ে গেছে এমন সংবাদ দিলেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ, অনেক খোজাখুজি করেও আমার ছেলের কোন সন্ধান পায়নি, আত্মীয় স্বজনের বাড়ি ছাড়াও নানা জায়গায় খোঁজ নেয়েছি। না পেয়ে ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে চরজব্বার থানায়, হারিয়ে গেছে মর্মে সাধারণ ডায়রি করেছি।


যদি কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি তার সন্ধান পেয়ে থাকেন, নিম্নোক্ত মোবাইল নাম্বারে (018611471)39
01726648646
01728148205) যোগাযোগের অনুরোধ জানিয়েছেন ছেলেটির মা আয়েশা বেগম।

Leave a Reply

Your email address will not be published.