ডেস্ক নিউজঃ-

দেশবাশীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সিরাজগঞ্জে তাড়াশ উপজেলার সাংবাদিক মোঃ তৌফিকুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার পবিত্র ঈদ-উল আজহা’র শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাড়াশ উপজেলা তথা দেশের সর্বস্তরের জনগনকে।

তিনি এক বাণীতে বলেন, বছর ঘুরে মুসলিম উম্মাহর আনন্দময় দিন ঈদুল আজহা আমাদের মাঝে সমাগত। পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে তাড়াশ উপজেলাসহ সকল মুসলিম ভাইবোনদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ। ঈদ মোবারক।

মহান আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্য ও সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আযহা। মহান আল্লাহর নির্দেশে স্বীয় পুত্র হযরত ইসমাইল (আ.) কে কোরবানি করতে উদ্যত হয়ে হযরত ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহর প্রতি অবিচল আনুগত্য, অকুণ্ঠ আত্মত্যাগ ও অগাধ ভালোবাসার যে সুমহান দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা চিরকাল অনুকরণীয় ও অনুসরণীয়। তাঁরই নিদর্শন স্বরুপ আমরা প্রতি বছর আল্লাহতায়ালার সন্তুুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানী করি।

এই উৎসবের মধ্য দিয়ে সামর্থ্যবান মুসলমানগণ কুরবানিকৃত পশুর মাংস আত্মীয় ও প্রতিবেশীদের মধ্যে বিলিয়ে দেন এবং সমাজে সাম্যের বাণী প্রতিষ্ঠিত করেন। পবিত্র ঈদুল আযহার প্রকৃত শিক্ষা ও ত্যাগের আদর্শ ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে প্রতিফলিত হোক-এই কামনা করছি।

তিনি আরো বলেন, ধর্মপ্রাণ মুসলিম জাহানের জন্য খুশির বার্তা নিয়ে বছর ঘুরে আবারও ফিরে এসেছে ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আযহা বা কোরবানির ঈদ। পবিত্র ঈদুল আজহায় মহান আল্লাহর উদ্দেশে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী পশু কোরবানি করা মুসলমানদের প্রাচীন ঐতিহ্য। পবিত্র ঈদুল আজহার উদ্দেশ্য স্রষ্টার সন্তুষ্টির জন্য নিজেকে উৎসর্গ করতে প্রস্তুত থাকা। পশু কোরবানি করা হয় প্রতীকী অর্থে। আসলে কোরবানি দিতে হয় মানুষের সব রিপুকে: কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, পরনিন্দা, পরশ্রীকাতরতা। সৎ পন্থায় উপার্জিত অর্থের বিনিময়ে কেনা পশু কোরবানির মাধ্যমেই তা সম্পন্ন হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.