inbound859529973664943992

আমানুল্লাহ আসিফ,বিশেষ প্রতিনিধি:শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে অর্থের অভাবে জোছনা বেগম নামে এক মহিলার চিকিৎসা সংকট ও ভাত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।উপজেলার মরিচপুরান ইউনিয়নের মৌলভীপাড়া গ্রামের দিনমজুর হবিবুর রহমান হবির স্ত্রী জোছনা বেগম।জোছনা বেগমের একটি চোখে সম্পুর্ন অপর আরেকটি চোখ আংশিক দেখতে পারেন না।তবে ডাক্তারদের মতে চিকিৎসা করলে হয়তো সুস্থ হতেন তিনি।কিন্তু চিকিৎসা তো দূরের কথা দিনে তিনবার ভাত খাওয়ার মতো সামর্থ্যই নেই তাদের।জোছনা বেগমের চারটি সন্তানের মধ্যে একজনও লেখাপড়া করতে পারছে না। মায়ের অসুস্থতা আর বাবার অসচ্ছলতা তাদের বঞ্চিত করেছে মৌলিক অধিকার শিক্ষা থেকে।মা অন্ধ বাবা দিনমজুর এই অবস্থায় লেখাপড়া বাদ দিয়ে ১০বছর বয়সী শিশু স্বাধীন করে রান্নাবান্নার কাজ।তার বাকি তিন ভাইও দিন কাটাচ্ছেন খেয়ে না খেয়ে।অতীতে জোছনা বেগমের চিকিৎসা চালিয়ে আসলেও এখন আর ডাক্তারের কাছে যাওয়ার মতো অর্থ আর নেই তাদের।সরকারি অনুদান ও বিত্তবান শ্রেণীর মানুষের দান সহযোগিতা পেলেই লাঘব হতো তাদের দুর্ভোগ।বিভিন্ন জনের সহযোগিতা পাঠানোর জন্য হবিবুর রহমান তার ০১৭৮৫৭৭৩৪৪১ বিকাশ পার্সোনাল নাম্বারটি দিয়েছেন।
অসুস্থ জোছনা বেগম বলেন আমি মেলাদিন ধইরা অসুখে ভুগতাছি সরকার ও ধনী মানুষ কিছু টেহা দিলে চিকিৎসাডা করার পাইতাম।তার স্বামী হবিবুর রহমান বলেন আমার স্ত্রীকে সম্পুর্ন চিকিৎসা করতে কয়েক লক্ষ টাকার দরকার।আমি কামলা মানুষ চাল-ডাল কেনার টাকাই হয়না এত টাকা কই পামু।সরকার ও বিত্তবান শ্রেণীর সহযোগিতা পেলে আমার স্ত্রীকে চিকিৎসা করাতে পারতাম পোলাপানরে লেখাপড়া করাতে পারতাম।
এই প্রতিবেদক সরজমিনে গেলে ১০ বছর বয়সী স্বাধীন কেদে দিয়ে বলে আমি স্কুলে যেতে চাই।লক্ষ্য করা যায় খাবারের জন্য কাঁদছে ৭বছর বয়সী জুনাইদ।
স্থানীয়রা জানান হবিবুর রহমান আসলেই একজন গরীব অসহায় মানুষ।সে তার অসুস্থ স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে খুবই কষ্টে জীবন-যাপন করছে।খুব দ্রুত সরকারি সহায়তার কামনা করেন এলাকাবাসী।
পিছলাকুড়ী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম বকুল দৈনিক জবাবদিহিকে বলেন হবিবুর জোছনা দম্পতি খুবই কষ্টে জীবন-যাপন করছে তাদের জন্য সরকারী বেসরকারী সহায়তা অতিপ্রয় জরুরী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *