received 1105477963967906

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত ২৪ ডিসেম্বর ২০২৩ ইং দৈনিক ৭১ প্রজন্ম বাংলা অনলাইন পোর্টালে “গোদাগাড়ীতে বিএনপির অফিস তালাবদ্ধ করেছে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি “শিরোনামে একটি খবর প্রকাশিত হয়েছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবাদ জানিয়ে বাসদেবপুর ইউনিয়ন সভাপতি আব্দুল হান্নান ২৯ ডিসেম্বর ২০২৩ ইং রাজশাহী অনলাইন পোর্টাল ও ৩০ ডিসেম্বর দৈনিক বার্তা রাজশাহীর একটি স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। যা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত খবরটি সম্পন্ন মিথ্যা,বানোয়াট ও উদ্দেশ্যে প্রণোদিত। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে মোঃ মাহফুজুর রহমান ডালিম এর বড় ভাই মোমিন আমার নিকট হতে ২০১৪ সালে ঘরটি ব্যবসা করার জন্য ভাড়া নেন এবং শুরুতে টেইলারিং ব্যবসা শুরু করেন। সে সময় ডালিম বিদেশে অবস্থান করছিলেন। মোমিন প্রথমে নিয়মিত ভাড়া পরিশোধ করলেও পরবর্তীতে ডালিম বিদেশ থেকে এসে উক্ত ঘরটিকে তার ব্যক্তিগত চেম্বার হিসেবে ব্যবহার শুরু করলে আর নিয়মিত ভাড়া পরিশোধ করেননি। এভাবে ২০২৩ সালে নভেম্বর মাস পর্যন্ত ডালিমের নিকট আমার ৯৩ হাজার টাকা পাওনা হয়।এর মধ্যে ডালিম একটি নতুন ফ্রিজ আমাকে দেন যার মূল্য ৩৪ হাজার টাকা। বাকি ৪৭ হাজার টাকা এখনো তার নিকট পাব। আজ দেবো কাল দেবো বলে তিনি প্রায় এক বছর কালক্ষেপণ করতে থাকলে আমি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিও ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কে সাথে নিয়ে আমার ঘর বুঝে নেই।ঘরে থাকা তার ব্যক্তিগত জিনিসপত্র বের করে দেই। পরবর্তীতে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি তসিকুল ইসলাম তৃতীয় পক্ষ হিসেবে আগামী ২০ দিনের মধ্যে ভাড়া পরিশোধ করার মর্মে সময় নেন। বর্তমানে তসিকুল ইসলাম এর নিকট উক্ত ঘরের চাবি ও জিনিসপত্র ঘরেই রাখা আছে। এটা সম্পূর্ণ ব্যবসায়িক ব্যাপার। এটার সাথে কোন প্রকার রাজনৈতিক বিষয় জড়িত নহে। প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয় প্রকৃতপক্ষে ঘরটি ব্যবসার জন্য তিনি ডালিমকে দেন। এখানে কোন প্রকার বিএনপির কার্যালয় কোনদিন ছিলোনা। কারণ আমি অত্র ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি। কোন ওয়ার্ডে বিএনপির কার্যালয় আছে না আছে আমি জানি। বিষয়টি এখন ভিন্ন খাতে নিতে ডালিম এই মিথ্যা প্রতিবেদন প্রকাশ করিয়েছেন।
সংবাদে প্রকাশিত এসব কথা কাল্পনিক ও বানোয়াট। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে ২০০০ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বর্তমান অফিসের ঠিক সামনে সরকারি জায়গায় ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মোঃ লিয়াকত আলীর রুম ভাড়া নিয়ে নিয়মিত অফিস চলতো। সেসময় আমি ছাত্রদলের গোদাগাড়ী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলাম। ২০০৭ সালে তথাকথিত ফখরুদ্দিন,মইনুদ্দিন স্বাশিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসলে অফিস ঘরটি ভেঙ্গে ফেলে। পরবর্তীতে বর্তমান অফিস মার্কেটটি সভাপতি আব্দুল হান্নান নির্মাণ করলে ১ লক্ষ টাকা অগ্রিম জামানত দিয়ে দলীয় কার্যালয়ের জন্য ২ টি ঘর ভাড়া নেই এবং নিয়মিত ভাড়া পরিশোধ করে আসছিলাম।উল্লেখিত আমি ২০১০ সালে দেশের বাইরে অবস্থানকালীন সময়ে নিয়মিত অফিস ঘর চালু থাকা ও ভাড়া বাবদ টাকা পরিশোধ করা সত্বেও ২০১৪ সালে একটি ঘর অন্য একজনের কাছে জোরপূর্বক ভাড়া দিয়ে দেন এবং ১টি ঘর ২০০৭ থেকে ২০২৩ সাল আজ অব্দি বিএনপির দলীয় কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করতে থাকি এবং নিয়মিত ভাড়া পরিশোধ করে আসছি। শেষের ৩ মাস দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির শিকার হয়ে আমি এলাকার বাইরে অবস্থান করার কারণে বকেয়া আছে যাহা অতি সামান্য। ঘর ভাড়ার বিষয়টি মুখ্য নয়, মুখ্য উদ্দেশ্য হচ্ছে তার মার্কেটে দলীয় কার্যালয় রাখতে না দেওয়া। আমার হিসাব মতে জামানত বাবদ ১ লক্ষ টাকা আমার শোরুম থেকে ১টি নতুন ওয়ালটন ফ্রিজ ক্রয় বাবদ ৩৪ হাজার টাকা সর্বমোট ১ লক্ষ ৩৪ হাজার টাকা তার কাছে পাওনা আছে। পত্রিকায় প্রকাশিত আমার বড় ভাই মোমিন কোনদিন ঘর ভাড়া নেননি এবং টেইলার্স এর ব্যবসা করেননি। তিনি একজন উচ্চ শিক্ষিত প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী (করদাতা)। আমার পরিবারের কেউ কোনদিন টেইলার্স এর ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন না।
সদ্য বহিষ্কৃত ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি আব্দুল হান্নান এটি কোনদিন অফিস ছিলনা মর্মে অস্বীকার করেছেন কিন্তু দুঃখের বিষয় তিনি সভাপতি হিসেবে এই অফিসে কতদিন বসে মিটিং করেছেন তার কোন হিসাব নেই। ২০০০ থেকে ২০২৩ সাল আজ অব্দি আমার জানামতে গোদাগাড়ী উপজেলার এমন কোন নেতা নেই এই অফিসে বসেননি। সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল হক একাধিকবার এই অফিসে বসেছেন।২০০০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত যতগুলো সংসদ নির্বাচন, উপজেলা নির্বাচন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ গ্রহণ করেছেন প্রত্যেকটি নির্বাচনে ইউনিয়ন প্রধান কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এমনকি আমি নিজে ২০০৯ সালে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও ২০২১ সালে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেছি। যার নির্বাচনি প্রধান কার্যালয় হিসেবে এই অফিস ঘর ব্যবহৃত হয়েছে এবং প্রত্যেকটি নির্বাচনে সদ্য বহিষ্কৃত সভাপতি আব্দুল হান্নান এই অফিসে বসে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।তিনি আরো উল্লেখ করেছেন আমার অনুপস্থিতিতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের উপস্থিতিতে অফিসের তালা ভেঙ্গে আসবাবপত্র বাইরে বের করে ঘর দখলে নিয়েছে এবং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি তসিকুল ইসলাম ২০ দিনের সময় নিয়ে নিজ দায়িত্বে চাবি জমা রেখেছেন। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট। আমি আবার ও এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। গত ৩১ শে ডিসেম্বর ২০২৩ ইং দৈনিক বার্তা রাজশাহীর একটি স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ শিরোনামে সদ্য বহিষ্কৃত গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মাহবুবুল আলম বলেছেন আমার জানামতে বাসুদেবপুর ইউনিয়নে বিএনপির কোন অফিস নেই। উক্ত উক্তিটি সত্যিই খুবই দুঃখজনক। সদ্য বহিষ্কৃত উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মাহবুবুল আলম তিনি নিজেই কতবার এই অফিসে বসে মিটিং করেছেন তা আমার জানা নেই। দলীয় দায়িত্বে থাকা একজন নেতার মুখে এমন মিথ্যা উক্তির জন্য তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী,
মোঃ মাহফুজুর রহমান ডালিম
আহ্বায়ক সদস্য জেলা যুবদল রাজশাহী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *