মুছাম্মৎ রোকেয়া আক্তার, কিশোরগঞ্জ জেলা বিশেষ প্রতিনিধিঃ

গত ৮ জুলাই শুক্রবার ‘একুশে টাইমস্’ অনলাইন নিউজ পোর্টালসহ বেশ কয়েকটি অনলাইন টিভি, পত্রিকায় ও পেইজে “কুলিয়ারচরে ইতালি প্রবাসীর বিরুদ্ধে অবসরপ্রাপ্ত ইউপি সচিবের জায়গা দখলের অভিযোগ” শিরোনামে যে সংবাদগুলো প্রকাশিত হয়েছে এসব সংবাদগুলোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন কিশোরগঞ্জ জেলার কুলিয়ারচর উপজেলার ছয়সূতী ইউনিয়নের মাটিকাটা গ্রামের মৃত কুদ্দুস রুহুল আমিনের ছেলে আশরাফুল ইসলাম মিরন (৪৪)।

সংবাদগুলোতে তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন দাবী করে তিনি বলেন, সমাজে আমাকেসহ আমার আত্মীয় স্বজনদের হেয় প্রতিপন্ন করার হীন চক্রান্তে লিপ্ত হয়ে আমার প্রতিপক্ষ সাংবাদিকদের ম্যানেজ করে তাদের দ্বারা “একুশে টাইমস্” অনলাই নিউজ পোর্টালসহ বিভিন্ন অনলাইন টিভি, পত্রিকায় ও পেইজে আমার বিরুদ্ধে এসব সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে। আমি প্রকাশিত সংবাদগুলোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এছাড়া তিনি আরো বলেন, আমি ইতালি থেকে ছুটিতে বাড়ি আসিয়া প্রায় ৪ মাস পূর্বে আমার পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে একটি তিনতলা বিশিষ্ট ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করি। ভবনের প্রায় অর্ধেক কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর গত ১৭ জুন-২০২২ ইং তারিখ শুক্রবার বিকালে আমার প্রতিবেশী মৃত চান্দ মিয়ার ছেলে স্থানীয় ছয়সূতী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সচিব সাফি উদ্দিন আহমেদ (৭৫), তার ছেলে মো. মাজহারুল হক জিতু (৫২) ও মো. রফিকুল ইসলাম টিটু (৪৮), মৃত মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে মো. মিজানুর রহমান (৫৭) ও মো. ইমরানুর রহমান পাপ্পু (৪৭) মিলে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে আমার নির্মাণাধীন ভবনে অনাধিকার প্রবেশ করিয়া ভবণ নির্মাণে বাঁধা নিষেধ দেয়। বাঁধা নিষেধ দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে তারা আমাকে বিভিন্ন প্রকার হুমকি ধামকি দিয়ে বলেন, এখানে তাদের জায়গা আছে। ভবন নির্মাণ কাজ বন্ধ না করলে আমাকে জীবন দিয়ে তার মাশুল দিতে হবে। এঘটনায় গত ৭ জুলাই ও ৮ জুলাই জাতীয় দৈনিক বাংলা ৭১, স্থানীয় দৈনিক পূর্বকণ্ঠ, একাধিক নিউজ ভার্সন ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর আমার প্রতিপক্ষ বিষয়টি ধামাচাপা দিতে সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে তাদের ম্যানেজ করে এসব মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে।

এছাড়া “দৈনিক পূর্বকণ্ঠ” অনলাইন নিউজ ভার্সনে প্রকাশিত একটি সংবাদ নিয়ে আমার প্রতিপক্ষের মো. রফিকুল ইসলাম টিটু মন্তব্য করে বলেছে দৈনিক পূর্বকণ্ঠের সংবাদকর্মী ঘটনাস্থলে না গিয়ে সংবাদ লিখেছেন। একথা সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। ওই সংবাদকর্মী গত ৬ জুলাই বুধবার বিকালে সরেজমিনে ঘটনাস্থলে এসে আমার অভিযোগসহ এলাকাবাসীর বক্তব্য ভিডিও ধারন করে পরদিন ৭ জুলাই প্রতিপক্ষের সাফি উদ্দিন আহমেদ ও কুলিয়ারচর থানার এসআই মো. সাইফুল্লাই সাহেবের বক্তব্য নিয়ে এ সংবাদটি প্রকাশ করিয়েছেন।

তিনি প্রতিপক্ষের এসব মিথ্যা অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তাকে অন্যায় ভাবে হয়রানী করার বিচার দাবী করে প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.