image 752817 1702918471

 

নাটোরের বড়াইগ্রামে শামীম হোসেন (৩২) নামের এক যুবকের খামারের দুই হাজার মুরগি পুড়ে গেছে। এতে তার কপাল পুড়ল। একই সঙ্গে স্বাবলম্বী হওয়ার সোনালি স্বপ্ন মুহূর্তেই বিলীন হয়ে গেছে তার।

রোববার রাতে উপজেলার বড়াইগ্রাম ইউনিয়নের উপলশহর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শামীম হোসেন ওই গ্রামে আইয়ুব আলীর ছেলে।

স্থানীয় ওয়ার্ড সদস্য নুর ইসলাম সিদ্দিক বলেন, দরিদ্র শামীম হোসেন আত্মনির্ভরশীল হতে চার বছর আগে এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে মুরগির খামার শুরু করেন। গত এক মাস আগে পুনরায় পাকিস্তানি জাতের দুই হাজার বাচ্চা তোলেন খামারে। আর দিন দশেক পরেই মুরগিগুলো বিক্রি করা যেত। রোববার রাত ১টার দিকে হঠাৎ করেই খামারে আগুন লেগে যায়। এ সময় বাড়ির লোকজনের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে সব মুরগি পুড়ে মরে যায়।

শামীম হোসেন বলেন, আমি নতুন বাচ্চা আনতে রাজ্জাক মোড়ে যাই। সেখানে থেকেই খবর পাই যে খামারে আগুন লাগছে। বাড়ি ফিরে এসে দেখি আমার সব কিছু পুড়ে শেষ হয়ে গেছে। ঘরগুলোও পুড়ে যাওয়ায় এখন নতুন বাচ্চা রাখার জায়গাও নাই।
তিনি বলেন, দুই হাজার মুরগি সাড়ে ৫ লাখ টাকা বিক্রি করা যেত। ঘরসহ প্রায় ১০ লাখ টাকার সম্পদ পুড়ে গেছে।

শামীমের স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস মিলি বলেন, এনজিও থেকে দুই লাখ টাকা ঋণ নিয়ে খামার করেছিলাম। কয়েক দিন পর মুরগিগুলো বিক্রি করে কিছু টাকা পরিশোধ করার কথা ছিল। এখন আমরা ঋণের টাকা দেব কেমন করে আর সংসারই বা চালাব কেমন করে।

বড়াইগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মমিন আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিজে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিল ছেলেটি; কিন্তু আগুনে পুড়ে তার সব স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল।

By স্টাফ রিপোর্টারঃ বেলহাজ উদ্দিন (বাঁধন)

সাংবাদিক, বড়াইগ্রাম (নাটোর), উপজেলা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *