img20231218225045

বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি এসোসিয়েশন (বিপিএ) এসোসিয়েশন (বিপিএ)

২০১১ সনের ২৭ নভেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সকল সিভিল সার্জনের নিকট প্রেরিত স্মারক (নং স্বাঃঅঃ/প্রশাঃ/স্নাতক ফিজিওথেরাপি- ১৪৩/১১/৮২১২) এ উল্লেখিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে “স্নাতক ডিগ্রীধারী ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকদের স্বতন্ত্র কাউন্সিল গঠনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং কাউন্সিল গঠন না হওয়া পর্যন্ত স্নাতক ডিগ্রীধারী ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকদের পেশাগত দায়িত্বে/প্র্যাকটিসে বিএমডিসি অ্যাক্ট ২০১০ এর ক্ষমতাবলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কর্তৃক হয়রানি না করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ/ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো”। কিন্তু, বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল এ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি এসোসিয়েশন (বিপিএ) অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছে, ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকগণ তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক স্বতন্ত্র প্র্যাকটিস ও (ডাঃ) পদবী ব্যবহার এর জন্য নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এ প্রেক্ষিতে বিপিএ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করছে যে-

১. মহামান্য সুপ্রীমকোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের রীট পিটিশন নম্বর ২০১১ এর ১০৯৯৮ এর আদেশ অনুযায়ী স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রীধারী ফিজিওথেরাপিস্টগণ (ডাঃ) পদবী ব্যবহার করতে পারবেন। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০ প্রযোজ্য হবে না।

২. বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল আইন (২০১৮ সনের ৭১ নং আইন) এর ধারা ১ এর (১২) অনুযায়ী ফিজিওথেরাপিস্টগণ লাইসেন্সধারী “রিহ্যাবিলিটেশন প্র্যাকটিশনার”, যার অর্থ তাঁরা স্বাধীন

ও স্বতন্ত্রভাবে চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান এবং প্র্যাকটিসের অধিকার সংরক্ষণ করেন। ৩. বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল আইনের ধারা ৬ এর (ক) থেকে (ব) অনুযায়ী ফিজিওথেরাপি

চিকিৎসকগণের নিবন্ধন, চিকিৎসা প্রদানের লাইসেন্স প্রদান, শিক্ষা কার্যক্রমের অনুমোদন এবং

ইনডোর বা/এবং আউটডোের ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপনের অনুমতি ও চিকিৎসা কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিলের দায়িত্ব।

৪. লাইসেন্সধারী ফিজিওথেরাপি প্র্যাকটিশনার ব্যতীত অন্য কোন পেশাজীবী বা ব্যক্তি ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা প্রদান বা ফিজিওথেরাপি চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপন করলে বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল আইনের ধারা ১৫ এর (৪) অনুযায়ী অর্থদন্ড বা/এবং কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

অতএব, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের “এলোকেশন অব রুলস অব বিজনেস” অনুযায়ী দায়িত্বপ্রাপ্ত সংবিধিবদ্ধ সংস্থা ব্যতীত অন্য সবাইকে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকগণের চিকিৎসা, শিক্ষা ও চিকিৎসাকেন্দ্র বিষয়ে হয়রানী বা বিরূপ প্রচারণা না করার আহ্বান জানানো যাচ্ছে।

World Physiotherapy

সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন সভাপতি

ডা. মো. শাহাদৎ হোসেন, পিটি সাধারণ সম্পাদক

বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি এসোসিয়েশন (বিপিএ)

Physiotherapy
বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি এসোসিয়েশন (বিপিএ) কর্তৃক গণবিজ্ঞপ্তি

২০১১ সনের ২৭ নভেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সকল সিভিল সার্জনের নিকট প্রেরিত স্মারক (নং স্বাঃঅঃ/প্রশাঃ/স্নাতক ফিজিওথেরাপি- ১৪৩/১১/৮২১২) এ উল্লেখিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে “স্নাতক ডিগ্রীধারী ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকদের স্বতন্ত্র কাউন্সিল গঠনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং কাউন্সিল গঠন না হওয়া পর্যন্ত স্নাতক ডিগ্রীধারী ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকদের পেশাগত দায়িত্বে/প্র্যাকটিসে বিএমডিসি অ্যাক্ট ২০১০ এর ক্ষমতাবলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কর্তৃক হয়রানি না করার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ/ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো”। কিন্তু, বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল এ ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি এসোসিয়েশন (বিপিএ) অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছে, ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকগণ তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক স্বতন্ত্র প্র্যাকটিস ও (ডাঃ) পদবী ব্যবহার এর জন্য নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এ প্রেক্ষিতে বিপিএ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করছে যে-

১. মহামান্য সুপ্রীমকোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের রীট পিটিশন নম্বর ২০১১ এর ১০৯৯৮ এর আদেশ অনুযায়ী স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রীধারী ফিজিওথেরাপিস্টগণ (ডাঃ) পদবী ব্যবহার করতে পারবেন। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল আইন ২০১০ প্রযোজ্য হবে না।

২. বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল আইন (২০১৮ সনের ৭১ নং আইন) এর ধারা ১ এর (১২) অনুযায়ী ফিজিওথেরাপিস্টগণ লাইসেন্সধারী “রিহ্যাবিলিটেশন প্র্যাকটিশনার”, যার অর্থ তাঁরা স্বাধীন

ও স্বতন্ত্রভাবে চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান এবং প্র্যাকটিসের অধিকার সংরক্ষণ করেন। ৩. বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল আইনের ধারা ৬ এর (ক) থেকে (ব) অনুযায়ী ফিজিওথেরাপি

চিকিৎসকগণের নিবন্ধন, চিকিৎসা প্রদানের লাইসেন্স প্রদান, শিক্ষা কার্যক্রমের অনুমোদন এবং

ইনডোর বা/এবং আউটডোের ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপনের অনুমতি ও চিকিৎসা কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিলের দায়িত্ব।

৪. লাইসেন্সধারী ফিজিওথেরাপি প্র্যাকটিশনার ব্যতীত অন্য কোন পেশাজীবী বা ব্যক্তি ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা প্রদান বা ফিজিওথেরাপি চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপন করলে বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল আইনের ধারা ১৫ এর (৪) অনুযায়ী অর্থদন্ড বা/এবং কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

অতএব, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের “এলোকেশন অব রুলস অব বিজনেস” অনুযায়ী দায়িত্বপ্রাপ্ত সংবিধিবদ্ধ সংস্থা ব্যতীত অন্য সবাইকে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসকগণের চিকিৎসা, শিক্ষা ও চিকিৎসাকেন্দ্র বিষয়ে হয়রানী বা বিরূপ প্রচারণা না করার আহ্বান জানানো যাচ্ছে।

World Physiotherapy

সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন সভাপতি

ডা. মো. শাহাদৎ হোসেন, পিটি সাধারণ সম্পাদক

বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি এসোসিয়েশন (বিপিএ)

Physiotherapy
Banglad

বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি এসোসিয়েশন (বিপিএ) এসোসিয়েশন (বিপিএ)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *