রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে বিতর্কের শেষ কোথায় ? জেলার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের পর এবার বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে জেলা ছাত্রলীগের ১নং যুগ্ম সম্পাদক হাসিবুল হাসান শান্তোর।

 

ছাত্রলীগের শীর্ষ নেতারা বলছেন, ছাত্রসংগঠনটির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী বিবাহিত, মাদকসেবী এবং চাঁদাবাজির অভিযোগে অভিযুক্তরা সংগঠনটির কোনো পদে থাকতে পরবে না। যদি কেউ এমন অভিযোগে অভিযুক্ত হয় তবে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। 

 

জানা যায়, রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা থেকে মহানগরীতে পড়াশুনা করতে আসে বর্তমান রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হাসান শান্ত। স্থানীয় এক নেতার ছত্রছাড়ায় মাত্র কয়েকবছরের ব্যবধানে বনে যান ছাত্রলীগ নেতা।

 

পুঠিয়ার স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হঠাৎ বিপুল অর্থবৃত্তের অধিকারী বনে যায় এই শান্ত। অভিযোগ রয়েছে একাধিক মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক জড়িত এই নেতা। দৌড়ে ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে তবে হয়ে যান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের বিতর্কিত কর্মকান্ডের চিত্র গনমাধ্যমে প্রকাশ হওয়া শুরু হলে বেরিয়ে আসে শান্তর সংগঠন বর্হিভূত কর্মকান্ডের চিত্র। 

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি নিকাহনামার দলিলে দেখা যায়, ২০২১ সালের ১লা জানুয়ারি ছাত্রলীগে নেতা শান্ত বিয়ে করে নওগাঁর মোসাঃ সুলতানা জান্নাত নামের একটি মেয়েকে। সুলতানা নওগাঁর সদর উপজেলার জলছত্র এলাকার সাইদুর রহমানের মেয়ে। জেলা কমিটি হওয়ার সময়ও বিবাহিত হিসেবে প্রচার হয়। যা সংগঠনটির গঠনতন্ত্র বর্হিভূত বলে জানায় ছাত্রলীগের অন্যান্য নেতা। 

 

সেই সাথে বেরিয়ে আসে এই নেতার মাদক সেবনের একটি ভিডিও এবং স্থিরচিত্র। 

 

 

 

এতোসব অভিযোগের ভিত্তিতে গতকাল কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটিকে অভিযোগের সুষ্ঠ তদন্ত করে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে রির্পোট জমা দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। 

 

এসকল অভিযোগের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ছাত্রলীগ নেতা শান্ত বলেন, এই কাবিননামা আমার না তিনি আরো দাবি করেন নওগাঁ সদর জেলায় জলছত্র নামের এবং ইউনিয়ন নাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Don`t copy text!