আলিফ হোসেন,তানোরঃ

রাজশাহীর তানোরের মুন্ডুমালা পৌরসভার মেয়র সাইদুর রহমান সাংগঠনিক দক্ষতা ও সমাজ সেবাই বিশেষ অবদানের জন্য জয় বাংলা পার্সোনালিটি এ্যাওর্য়াড-২০২২ পুরুস্কার পেয়েছেন। জানা গেছে গত ২৭ জুন সোমবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তন (বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ঢাকা) জয় বাংলা সাংস্কৃতি পরিষদের আয়োজনের আনুষ্ঠানিক ভাবে পৌর মেয়র সাইদুর রহমানের হাতে সম্মাননা ক্রেষ্ট তুলে দেয়া হয়। তবে এই পুরুস্কার তিনি পেয়েছেন না নিয়েছেন সেই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এসব পুরুস্কার দিয়েছে কারা, তারা কি আন্তর্জাতিক না বাংলাদেশ সরকারের স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান। তাদের পুরুস্কার পাওয়ার মানদন্ড কি বা তারা কিসের ওপর ভিত্তি করে পুরুস্কার দিয়ে থাকেন। না কি ? অর্থের বিনিময়ে এসব পুরুস্কার দেয়া হয়, এসব নিয়ে জনমনে নানা গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে মেয়র সাইদুর রহমানের এই পুরুস্কার অর্জনের খবর ছড়িয়ে পড়লে আওয়ামী লীগ, সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও পৌরবাসির মাঝে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে, উঠেছে সমালোচনার ঝড়। কারণ পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় তাকে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদ ও দল থেকে বহিঃস্কার করা হয়, যা এখানো প্রত্যাহার করা হয়নি। তাহলে তিনি সাংগঠনিক দক্ষতার কি প্রমাণ দিলেন বরং নৌকার বিরুদ্ধে ভোট করে তিনি প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ দলের সভাপতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, দল, নেতা ও নেতৃত্বের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করেছেন। এছাড়াও সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের কথা বলাা হয়েছে, প্রশ্ন হলো তিনি সমাজসেবায় কি অবদান রাখলেন।এখানো পৌর এলাকায় খাবার পানির তীব্র সংকট রয়েছে, ড্রেনেজ ব্যবস্থা নাই, সড়ক বাতির করুণ হাল, রাস্তা-ঘাটের অবস্থা নাজুক, মুন্ডুমালা পৌরবাজারের উন্নয়ন নাই। এতোকিছু না থাকার পরেও তিনি সমাজসেবায় কি এমন বিশেষ অবদান রাখলেন ? এবিষয়ে মেয়র সাইদুর রহমান জয় বাংলা সাংস্কৃতিক পরিষদ কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এ গৌরবময় সম্মননা আমার পৌর এলাকার সকল নাগরিকের জন্য উৎসর্গ করলাম। মেয়র আরো বলেন, আমার দায়িত্ব আরো বেড়ে গেলো। আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুরের আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করে আসছি। এছাড়াও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী স্বপ্ন নিয়ে গ্রামকে শহরে রুপান্তর করতে পৌরসভায় কাজ করে যাচ্ছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.