received 1792823194491483


তাইয়েব ইবনে ফারুকী, ভালুকা উপজেলা প্রতিদিন 

ভৌগোলিক অবস্থানের দিক দিয়ে তিব্বত অনেক গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হলেও তিব্বতের ওপর দিয়ে কোন বানিজ্যিক বিমান উড়ে না 

আসলে, এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে তিব্বতের জন্য ব্যবহৃত “বিশ্বের ছাদ” যথোপযুক্ত  উপমায়। তিব্বত একটি মালভূমি যার গড় উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৫ হাজার মিটার এবং পৃথিবীর সর্বোচ্চ শিখরগুলির আবাসস্থল  ।

তাহলে এর সাথে বিমানের কি সম্পর্ক আছে?

আধুনিক যাত্রীবাহী বিমানের কেবিনগুলো চাপে রাখা হয়। যখন এই চাপ ব্যবস্থায় কোনও ত্রুটি বিচ্যুতি দেখা দেয়, তখন যাত্রীদের শ্বাস নিতে দেওয়ার জন্য প্রথমে অক্সিজেন মাস্কগুলি সক্রিয় করা হয় শ্বাস প্রশ্বাস নেয়ার সুবিধার্থে । অক্সিজেন সিস্টেমের ক্ষমতা ১৫-২০ মিনিটের জন্যই যথেষ্ট। 

তাই কেবিন প্রেসার সিস্টেমে ব্যর্থতা দেখা দিলে পাইলটদের বিমানটিকে 3 হাজার মিটার উচ্চতায় নিয়ে যেতে হয়। তিব্বত অঞ্চলের বেশিরভাগ অংশে, উচ্চতা 3 হাজার মিটারের উপরে। এছাড়া তিব্বতে এমন কোনো পরিবেশ নেই যেখানে জরুরি পরিস্থিতিতে বিমান নিরাপদে অবতরণ করানো যায় ।

উপরন্তু, টুইন-ইঞ্জিন বিমানের একটি ইঞ্জিন ব্যর্থ হলে, নিরাপদে উড়তে বিমানটিকে একটি নির্দিষ্ট উচ্চতায় নামতে হবে। দুর্ভাগ্যবশত, তিব্বতের ভৌগোলিক কাঠামোর কারণে এটি সম্ভব নয়। এসব কারণে তিব্বতের ওপর দিয়ে কোনো বিমান উড়ে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *