আলিফ হোসেন,তানোরঃ

রাজশাহীর তানোরের রাজনৈতিক অঙ্গনে রাজনৈতিক জোকারের আর্বিভাব ঘটেছে। স্থানীয়রা একটি রাজনৈতিক দলের নরসুন্দর নির্ভর মাহাঙ্কাল ও কথিত শতবর্ষী-তিনপ্রজন্ম নামের দুই নেতাকে রাজনৈতিক জোকার হিসেবে অ্যাঙ্খায়িত করেছে। যাত্রা-সার্কাসে ছোট-বড় মিলে জোকার জুটি থাকে রাজনীতিতেও তারা ছোট-বড় মিলে জোকার জুটি রাজনৈতিক অঙ্গনে বিনোদন দিচ্ছে। রাজনীতিতে দেউলিয়া হয়ে এরা এখন রাজনৈতিক জোকার হয়েছে, যাত্রা-সার্কাসে জোকার যেমন দর্শকের বিনোদনের জন্য প্রতি মুহুর্তে রঙ বদলায় এরাও তেমনি রাজনৈতিক অঙ্গনে নেতাকর্মীদের বিনোদনের খোরাক হয়েছে। কেউ কেউ বলছে, অবৈধ অর্থলিপ্সায় এরা নৌকা থেকে নেমে তালগাছ, নারিকেল গাছ, হাতুড়, কুড়াল, জগ, বদনা, হুকা, ধুতরাফুল হয়ে মোটরসাইকেল নিয়ে ফের নৌকায় উঠতে গেলে আমজনতা গণধাওয়া দিয়েছে। অথচ যেখানে পাওনাদারের ভয়ে এলাকায় দু-দশজন নেতাকর্মী নিয়ে কোথাও দাঁড়িয়ে চা পান করার ক্ষমতা রাখে না। সেখানে এমপি হবার খোয়াব দেখে প্রচারণা করে ও প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণের কাছে থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এদের একজন ইরানী ও কামরুককামাক্ষার জটা বাবার পাথর অপরজন কথিত কেন্দ্র নেতার সাগরেত পরিচয়ে রাজনীতির মাঠে বিচরণ করেছে।

স্থানীয় সুত্র বলছে, উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে কথিত (ভুয়া) হেভিওয়েট দু’নেতার দোস্তী নিয়ে একটি রাজনৈতিক নেতা এবং কর্মী-সমর্থকসহ জনমনে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে, বইছে মুখরুচোক নানা গুঞ্জন, প্রতিনিয়ত গুঞ্জনের ডালপালা মেলছে। স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি বিভিন্ন দলীয় কর্মসুচিতে প্রকাশ্যে এরা একে অপরকে রাজনৈতিক বেঈমান, মতলববাজ, সুযোগসন্ধানী, নরসুন্দরের দেহরক্ষী,, টাউট-বাটপার এমনকি অপ্রকাশযোগ্য ভাষায় গালাগালি করে বক্তব্য দিয়েছেন। এমনকি একে অপরের মুখ দেখাদেখি বন্ধ ও এক বাবার জন্ম হন তাহলে একে অপরের সঙ্গে কখানো এক টেবিলে বসবে না। কিন্ত্ত হঠাৎ করে রাতারাতি এই দু’জন গলায়-গলায় ভাব গাঁটছাড়া বেঁধে এবার আদর্শিক, পরিক্ষিত, জন ও কর্মীবান্ধব একজন এমপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার শুরু করেছে,তবে তৃণমুলের নেতা ও কর্মী-সমর্থক এমনকি সাধারণ মানুষ তাদের কোনো কথায় আর বিশ্বাস করছেন না, বরং তাদেরকেই মিথ্যাবাদী, অপপ্রচারকারি ও রাজনৈতিক জোকার আঙ্খায়িত করে তাদের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে। অন্যদিকে পাওনাদারগণ পাওনা ফিরে আদায় কমিটি গঠন করে মাঠে নেমে তাদের দেখামাত্র আটক করে টাকা আদায়ের উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে। সাধারণ মানুষের ভাষ্য একজন এমপির দীর্ঘ প্রায় দু’দশকের রাজনৈতিক জীবনে এরা দুইজন দুই বগলের নিচে থেকে সব সুযোগ-সুবিধা নিয়ে মোটাতাজা হয়ে এখন এমপিকে খারাপ বলছে কিন্ত্ত কেনো তার কোনো ব্যাক্ষা নাই, তাহলে এতোদিন কি তারা ঘুমিয়ে ছিলেন, এমপি তো সব কাজ এই দু’জনকে দিয়েই করিয়েছেন তখন মনে হয়নি এমপি খারাপ, আসলে তা নয় তাদের সব অপরাজনীতি ও অনৈতিক কর্মকান্ড বন্ধ করে দেয়ায় তারা জেগে জেগে স্বপ্ন দেখছে আর এমপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে, তবে সাধারন মানুষ এসব বিষয় উপলব্ধি করতে পারায় তাদের সব পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে, এসব মানুষ আরো বেশী এমপিমুখী হয়েছে, এতে পদ হারানোর শঙ্কায় তাদের মাথায় বাজ পড়েছে। তারা তিনবারের নির্বাচিত একজন সাংসদকে জনবিচ্ছিন্ন ও চেতনাবিরোধী বলছে, আবার যখন সম্মেলনের ঘোষণা দিয়েছে তখন ঘটি-বাটি বিক্রি করে সম্মেলন ঠেকাতে দুয়ারে দুয়ারে ঘুরছে। কারন তাদের শেষ সম্বল পদ হারালে পথে বসতে হবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলের এক জৈষ্ঠনেতা বলেন, একজন মানুষের আত্নসম্মান বা লজ্জা-ঘৃণা থাকলে এমনটি হতে পারে না। তিনি বলেন, রাজনীতিতে এরা দেউলিয়া হয়ে পড়েছে এদের মধ্যে আত্নসম্মানবোধ বা লজ্জা-ঘৃণা নাই থাকলে এরা দু’জন কখানোই গলায় গলায় ভাব করতে পারতেন না। এরা রাজনীতির জোকার।

Leave a Reply

Your email address will not be published.