জুয়েল আহমেদ :
রাজশাহীস্থ ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার সঞ্জীব কুমার ভাটী ও তাঁর সহধর্মিনী সুন্দদা ভাটীকে ২৮ মে শনিবার বিকাল ৫ টায় মহানগরীর শ্রীরামকৃষ্ণ আশ্রমে রাজশাহী সনাতন পরিবারের পক্ষ থেকে বিদায় সংবর্ধনা জানানো হয়।

শ্রীরামকৃষ্ণ আশ্রমের সভাপতি ড. হরি প্রসাদ সিংহের সভাপতিত্বে এবং স্বনামধন্য শিক্ষক সুব্রত সরকারের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর বি কে দাম, বাংলাদেশ রেলওয়ে জেনারেল ম্যানেজার (পশ্চিম) অসীম কুমার তালুকদার, নেসকো লিঃ সাবেক ডিজিএম সুবির রঞ্জন পোদ্দার, রাবি’র অধ্যাপক সিদ্ধার্থ কুমার তালুকদার, অধ্যাপক মলয় ভৌমিক, বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী আলো রানী মৈত্র, মিলন মৈত্র, বি বি হিন্দু একাডেমির প্রধান শিক্ষক রাজেন্দ্রনাথ সরকার ও সহকারী প্রধান শিক্ষক অনল চন্দ্র মন্ডল, ড. বলাই সরকার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী প্রশান্ত দেবনাথ, অনুপ চৌধুরী টুটুল, অনুপ রায় জুয়েল, কাস্টমস ভ্যাট এবং এক্সাইজ এর সহকারী পরিচালক সুনন্দন দাস রতন সহ রাজশাহীর প্রায় সকল মন্দির পরিচালনা কমিটির প্রতিনিধিরা।



সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মহানগর ও বিভিন্ন জেলা থেকে আগতরা ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার সঞ্জীব কুমার ভাটী ও তার সহধর্মিনী সুন্দদা ভাটীকে পুষ্পস্তবক, ক্রেস্ট ও উপহার সামগ্রী প্রদান করে সম্মাননা জ্ঞাপন করা হয়।

উপস্থিত বক্তারা বলেন, জনাব সঞ্জীব কুমার ভাটি রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার ছিলেন বাংলাদেশের অকৃত্রিম এক বন্ধু। তার সামগ্রিক কর্মকাণ্ড বিশ্লেষণ করলে খুব সহজেই বোঝা যায়, তিনি বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে বিরাজমান সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে গেছেন। অতি গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার পরেও তার আচার ব্যবহার চলাফেরা ছিল সাধারণ মানুষের মতন। মানুষের সাথে সহজে মিশে যাবার অসাধারণ গুন ছিল উনার মধ্যে। সমাজের নিম্ন শ্রেনীর মানুষ থেকে উচ্চ শ্রেনীর সকলের জন্য তার দরজা ছিল খোলা।



এ সময় সহকারী ভারতীয় হাই কমিশনার সঞ্জীব কুমার ভাটী বলেন, আমার রাজশাহীস্থ কর্মস্থল মনের মধ্যে আজীবন স্মৃতি হয়ে রইবে। তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন স্থানে কর্মময় জীবনবৃত্তান্তের সারসংক্ষেপ আলোচনা করেন। এ সময় তিনি ভারত বাংলাদেশের ভ্রাতৃপ্রতিম মেল বন্ধন অটুট থাকুক সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। সকলের নিকট আআর্শীবাদ চেয়ে অন্যান্যদের প্রতি শুভকামনা জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published.