মোঃ ইকবাল মোরশেদ স্টাফ রিপোর্টার।

মনোহরগঞ্জ উপজেলার লক্ষণপুর বাজারে অবস্থিত ইসলামি ব্যাংক (এজেন্ট ব্যাংকিং) এর বোল্ট ভেঙ্গে অজ্ঞাতনামা ডাকাতের দল অর্থ ডাকাতি করে নিয়ে যায়। ডাকাতির ঘটনাটি ঘটেছে গত ২৩ মে সোমবার রাত অনুমান ৩.৩৫ মিনিটের সময়।
জানা যায়, ব্যাংক ডাকাতির ঘটনার পরদিন মঙ্গলবার ব্যাংক এর ইনচার্জ মোঃ ফাহাদ হোসাইন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা চোরদের বিরুদ্ধে মনোহরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি রুজু হওয়ার পর লাকসাম সার্কেলের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ মহিতুল ইসলামের সু-চিন্তিত পরিকল্পনা ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং মনোহরগঞ্জ থানার
অফিসার ইনচার্জ মোঃ শফিউল আলমের দিকনির্দেশনায় মনোহরগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) তপন কুমার বাকচীর নেতৃত্বে

এসআই মোঃ আল-হাদী রবিন, এসআই এমদাদুল হক ও সংগীয় ফোর্সের সহায়তায় তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে অনেক চেষ্টার পর গত ২ তারিখ বৃহস্পতিবার অজ্ঞাত ডাকাতদের সর্দারসহ মোট ০৭ (জন) আসামীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতাকৃতরা হলো- ভোলা জেলার ভোলা সদর উপজেলার গোলী গ্রামের মোঃআবদুল মান্নানের ছেলে মোঃ জাফর (২৮), একই জেলার নবীপুর গ্রামের মৃত মোঃ বেলায়েত মিয়ার পুত্র মোঃ রুহুল আমিন সেজু ( ৪২), মোঃ ফারুক হোসেনের পুত্র মোঃ আক্তার হোসেন ( ৩০), শান্তিরহাট শিবপুর এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের পুত্র মোঃ হোসেন ( ২২), নবীপুর এলাকার মৃত মোঃ জয়নাল আবেদিনের পুত্র মোঃ মাসুদুর রহমান,
ভোলা পৌরসভা এলাকার কালিবাড়ি রোড এলাকার মোঃ রফিকুল ইসলামের পুত্র মোঃ আব্বাস (৩২) এবং শিবপুর এলাকার মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের পুত্র মোঃ মিলন (২০)। মনোহরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ( ওসি) মোঃ শফিউল আলম জানান, গ্রেফতারের পর ডাকাতদের কাছ থেকে ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত কাটার (হেক্সো ব্লেড), ডাকাতিকালে ব্যবহৃত আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আলামত এবং ডাকাতিকালে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন জব্দ করে আসামীদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

ধৃত আসামীদের মধ্যে ০২ জন আসামী নিজেদের দোষ স্বীকার করে বিজ্ঞ আদালতে ফৌজধারী কার্য বিধি ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দী প্রদান করে।
পরে বিজ্ঞ আদালত আসামীদেরকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করেন।

এলাকা খোঁজ নিয়ে আরো জানা যায় যে গ্রেফতারকৃত ডাকাতেরা মনোহরগঞ্জ উপজেলায় আর্সেনিক মুক্ত গভীর নলকূপের কাজ করতে এসেছিলো এরই সুবাধে তারা ডাকাতিতে লিপ্ত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.