সিরাজগঞ্জের চৌহালীতে শখের বশে যমুনা নদীতে জাল ফেলে ১৮ কেজি ওজনের একটি বোয়াল মাছ পেয়েছেন ইসমাইল হোসেন নামে এক শিক্ষক। এছাড়া ছোট-বড় আরও ১৬টি বোয়ালসহ লক্ষাধিক টাকার মাছ ধরেছেন সৌখিন মৎস্য শিকারিরা।

বৃহস্পিতবার (১৬ জুন) উপজেলার খাষপুখুরিয়া এলাকায় যমুনা নদী থেকে সৌখিন মৎস্য শিকারিরা ১৭টি বোয়াল ধরেছেন। যেগুলোর ওজন প্রায় ৯০ কেজি। এর মধ্যে ১৮ কেজি ওজনের মাছটি ধরেছেন খাষপুখুরিয়া বিএম উচ বিদ্যালয়র সহকারী শিক্ষক ইসমাইল হোসেন।  

তিনি বলেন, অবসর সময়ে অনেকটা শখের বশে যমুনায় জাল নিয়ে মাছ ধরতে এসেছিলাম। এর আগেও মাছ শিকার করেছি। তবে কোনো মাছ বিক্রি করি না। ১৮ কেজি ওজনের বোয়ালটি নিজে কিছু রেখে আত্মীয়-স্বজনকে দেওয়া হবে।

শিক্ষক ইসমাইল হোসেন ছাড়াও সৌখিন মৎস্য শিকারিদের মধ্যে রয়েছেন ১১ জন বিভিন্ন পেশার মানুষ।

অপর শিক্ষক আব্দুল গফুর, ব্যবসায়ী আবুল কালাম ও হাবিবুর রহমান জানান, যমুনার মাছ এমনিতেই সুস্বাদু। তার ওপর যদি আকারে হয় বড়, তাহল তো কথাই নেই। সব সময় যমুনার মাছের চাহিদা বেশি থাকে। বড় বড় ব্যবসায়ী-শিল্পপতিরা বাজারর ভালো মাছ চড়া দামে কিনে নিয়ে যান। আমরা সব সময় কিনতে পারি না। তাই নিজেরাই কাজের অবসরে মাছ ধরতে বাড়ির পাশেই যমুনা নদীতে জাল নিয়ে যাই। বেশ কয়কজন মিলে রাতভর কষ্ট করে মাছ ধরেছি। সব মিলে প্রায় ৯০ কেজি বোয়াল ধরা পড়েছে। এসব মাছের বাজার মূল্য এক লাখ টাকারও বেশি। তবে আমরা কেউই মাছ বিক্রি করি না। নিজেদের জন্য রেখে আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে ভাগ করে দেব।  

চৌহালী উপজেলা মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারী শফিকুল ইসলাম বলেন, যমুনা এখন পানি বাড়ছে। সেই সঙ্গে প্রচুর মাছ পাওয়া যাচ্ছে। দেশীয় সব প্রজাতির মাছের প্রজনন বাড়ছে বলেও জানান তিনি। 

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Don`t copy text!