জেলা প্রতিনিধি::
সুনামগঞ্জের বন্যা পরবর্তী করণীয় এবং পূর্ণবাসন বিষয়ে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকেল সাড়ে ৫ টায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও স্বাধীন বাংলার প্রথম পররাষ্ট্রমন্ত্রী মরহুম আব্দুস সামাদ আজাদের পুত্র আজিজুস সামাদ আজাদ ডনের ব্যক্তি উদ্যোগে সুনামগঞ্জ পৌর শহরের পুরাতন বাসস্ট্রেশন এলাকার পানসী রেস্টুরেন্টের হলরুমে মতবিনিময সভা অনুষ্ঠিত হয়। সুনামগঞ্জ রিপোর্টারস ইউনিটির সভাপতি লতিফুর রহমান রাজুর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য আজিজুস সামাদ আজাদ ডন। এছাড়া ও উপস্থিত ছিলেন,জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ও পি পি ড. খাইরুল কবির রুমেন,সাংগঠনিক সম্পাদক জুনেদ আহমদ,জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এড. আক্তারুজ্জামান সেলিম,এড. শুক্কুর আলী,এড. আব্দুল ওদুদ,জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তনুজ কান্তি দে,যুক্তরাজ্যে প্রবাসী আওয়ামীলীগ নেতা আশিকুল হক,ওবায়দুর রহমান কুবাদ,জয়কলস ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাসুদ মিয়া,বরুণ কান্তি দে,কালিপদ রায়, জিসান এনায়েত রেজা,নজরুল ইসলাম,আব্দুর রশিদ,তামিম আহমদ, মো. রুমন মিয়া,ওহি আলম রেজা প্রমুখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য আজিজুস সামাদ আজাদ ডন বলেছেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসীন হওয়ার পর থেকে নানান ধরনের ষড়যন্ত্রের মধ্যও করোনা ভাইরাস মোকাবেলা,বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগ এই যে সিলেট/সুনামগঞ্জে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা হয়ে গেল তিনি তা নিজ চোঁখে দেখে গেছেন। তিনি বলেন বন্যা পরবর্তী করণীয় বিষয় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ক্ষতিগ্রস্থদের পূর্ণবাসন,খাদ্য সহায়তা প্রদান,নদী খনন,ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করাসহ বন্যাকালীন সময়ে জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের নৌযান ও স্প্রীডবোর্ডের ব্যবস্থা রাখা প্রয়োজন। তিনি বলেন,সরকারের স্বদিচ্ছা যথেষ্ট রয়েছে বলেই শত প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করে জাতির জনকের কন্যা সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বন্যার্ত মানুষদের কল্যাণে কাজ করার যে লক্ষ্যে সরকার গৃহহীনদের গৃহ নির্মাণসহ ভেঙ্গে যাওয়া ব্রীজ ও রাস্তাগুলোর সংস্কার করছেন। তিনি বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা করে দ্রুত সমাধানের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেন। তিনি এই দূযোর্গকালীন সময়ে সুনামগঞ্জের সংবাদকর্মীরা যেভাবে দিনের পর দিন পানি ভেঙ্গে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেছেন তা নজীরবিহনী। তিনি সাংবাদিকদের আর্থিকভাবে সহযোগিতার বিষয়টি বিবেচনা করা যায় কিনা সেটা নিয়ে তথ্য মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন ১৯৭১ সালে উপনিবেশিক পাকিস্তানী শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে তৎকালীন প্রতিটি ধর্মের সাড়ে সাতকোটি মানুষ অন্ত্র হাতে তুলে নিয়ে যুদ্ধ করে নয়মাসে দেশটিকে স্বাধীন করেছিলেন। স্বপ্নঁ ছিল একটি অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশ হবে যেখানে প্রতিটি ধর্মের মানুষ সবাই মিলেমিশে ধর্মকর্ম পালন করে একটি আধুনিক স্বনির্ভর সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা হবে। কিন্তু স্বাধীনতা পরবর্তী স্বাধীনতা বিরোধীচক্র রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্টিত হবে ১৫ই আগষ্ট জাতির পিতাকে স্বপরিবারে হত্যার মধ্যে দিযে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে বাধাঁগ্রস্থ করা হলো। কিন্তু স্বাধীনতার দীর্ঘ ২১ বছর পরেও জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা বীরবেশে দেশে এসে দলের হাল ধরে আবারো জনগনের প্রত্যক্ষ ভোটে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে জাতির পিতার খুনীদের প্রচলিত আইনে বিচার কার্য সম্পন্ন করে জাতিকে কলংঙ্কমুক্ত করলেন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্য ও শেষ করে সরকার দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যে দীর্ঘ তিনযুগে বিশ্বে আজ বাংলাদেশ একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন মোস্তাক ও স্বাধীনতা বিরোধী ষড়যন্ত্রকারীরা পদ্মাসেতু যাতে না করা যায সেই ষড়যন্ত্র ছিল বলেই বিশ্বব্যাংকের সহায়তা বন্ধ করে দিতে র্দূনীতির অজুহাত তুলেছিল। কিন্ত আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষনতায় দেশের জনগনের টাকায় পদ্মাসেতু নির্মাণ করে প্রমান করেছেন বাঙ্গালী জাতি বীরের জাতি। তিনি সবাইকে এই সরকারের কর্মকান্ডে এক কাতারে সামিল হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করার আহবান জানান এবং ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সকল মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জান।##

Leave a Reply

Your email address will not be published.