জেলা প্রতিনিধি::
পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫২৪৮তম শুভ জন্মাষ্টমী আর্বিভাব মহোৎসব উপলক্ষে সুনামগঞ্জে চিত্রাংঙ্কন প্রতিযোগিতা,আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার শ্রী শ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলদেশ সুনামগঞ্জ জেলা শাখার আয়োজনে শহরের শ্রী শ্রী কালিবাড়ি নাটমন্দির প্রাঙ্গণে চিত্রাংঙ্কন প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শ্রী শ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলদেশ সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি এড. গৌরাংঙ্গ পদ দাসের সভাপতিত্বে ও সুনামগঞ্জ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এড. বিমান কান্তি রায়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনামন্ত্রী আলহাজ্ব এম এ মান্নান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন,জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন,জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুরুল হুদা মুকুট,পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান,জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ব্যরিস্টার এম এনামুল কবির ইমন,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো.জয়নাল আবেদীন,সুনামগঞ্জ সরকারী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ পরিমল কান্তি দে,শিক্ষাবিদ যোগেশ্বর দাস,বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পিরষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি নৃপেশ তালুকদার নানু,মন্ত্রীর রাজনৈতিক সচিব হাসনাত হোসাইন,জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক বিমল বণিক,জেলা হিন্দু,বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক এড.বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী,মন্দির ভিত্তিক শিশু গণশিক্ষা কার্যক্রমের সুনামগঞ্জ অঞ্চলের সহকারী পরিচালক রবিণ আচার্য্য প্ও হিন্দুৃ কমিউনিটি নেতা বিপ্লব তালুকদার প্রমুখ।
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন,আমাদের সরকার বর্তমানে সাময়িক অসুবিধায় আছি,দ্রব্যমূল্যরা দাম বেড়েছে,বিদ্যুৎ এর ঘাটতি আছে তেল আমাদানিতে অসুবিধা কারণে দেশের জনগনের কষ্ট হচ্ছে। তিনি বলেন,আমাদের সরকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগনের কষ্ট দেখে নিজেই কষ্ট পাচ্ছেন। এই মাসটিই হচ্ছে দূর্ভোগ ও কষ্টের মাস,আগামী মাস থেকে সকল সমস্যার সমাধান করে সকল নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম সাধারন মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসা হবে। একটি মহল আছে তারা আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায় এবং তারা রাজপথ দখলে নেয়ার কথা বলে সাধারন জনগনের মধ্যে দেশ শ্রীলংঙ্কা হয়ে যাবে বলে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তিনি আরো বলেন জাতির পিতার নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে পাকিস্থানের বিরুদ্ধে একটি স্বাধীন ভূখন্ড প্রতিষ্ঠার জন্য সকল ধর্মের মানুষের অংশগ্রহনে আজকের একটি অসাম্প্রদাযিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। যেখানে প্রতিটি ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে তাদের ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালন করে যা”্ছনে আজকের এই ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মানুষ্টান প্রমান করে। তিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধ হযে অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে যারা দেশকে অস্থিতিশীল বানাতে চায় তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানান। #

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Don`t copy text!