received 757611139756650

স্টাফ রিপোর্টার

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়নের ইব্রাহিতপুর গ্রামের চিহিৃত চোরকারবারী দ্বারা সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে ভারতীয় চোরাই শাড়িঁ.কসমেটিস্ক্স,গরুসহ বিভিন্ন ধরনের নেশা জাতীয় মাদকে সয়লাভ এই অঞ্চলটি। কেউ প্রতিবাদ করলে তার উপর নেমে আসে মিথ্যা মামলা থেকে শুরু করে অত্যাচার নির্যাতনের স্ট্রীমরোলার। চিহিৃত এই চোরাকারবারী হলেন তাজুয়ার আফজল শিহাব । তিনি ইব্রাহিমপুর গ্রামের মোঃ আফজাল হোসেন ছানা মিয়ার ছেলে এবং সুরমা ইউপি চেয়ারম্যানের আপন ভাতিজা। তিনি দীর্ঘ একযুগ ধরে প্রভাব প্রতিপত্বির জুড়ে প্রতিরাতে লক্ষ লক্ষ টাকার এই অবৈধ মালামাল নিরাপদে সীমান্ত দিয়ে আনলে ও কারো সাহস নেই এই অন্যায়ের প্রতিবাদ করার। তার এমন কর্মকান্ডের ফলে এলাকার যুব সমাজের বর্তমান প্রজন্মের ছেলেরা অনেকেই মাদকাসক্ত হয়ে বিপদগামি হচ্ছে বলে অভিযোগ অনেকের। এ ঘটনায় গ্রামসহ আশপাশের যুবকরা অতিষ্ঠ হয়ে প্রতিবাদ মুখর হয়ে উঠেছেন। চলতি বছরের ১৭ই আগষ্ট চোরাকারবারী শিহাব নিজ গ্রামে গরুর খামার থেকে চোরাই মালামাল ভারতীয় শাঁড়ি,লেহেঙ্গা,চাপাতাসহ বিভিন্ন ধরনের বিপুল সংখ্যক ভারতীয় অবৈধ পণ্যসহ র‌্যাব -৯ এর হাতে ধরা পড়েন এবং বেশ কিছুদিন জেল ও কেটেছেন। কথায় আছে না চোর না শুনে ধর্মের কাহিনী,তিনি জেল থেকে বের হয়ে পূনরায় শুরু করেন তার সেই পূর্বের লাভজনক ব্যবসা ভারতীয় সীমান্ত থেকে প্রতিরাতে আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের চোখ ফাঁকি দিয়ে মাদকসহ অবৈধ পণ্যর জমজমাট ব্যবসা।

এ ঘটনায় ইব্রাহিমপুর গ্রামের ইব্রাহিমপুরের রিয়ার আলীর ছেলে আশিক মিয়া,মৃত শেরন মিয়ার ছেলে তানভীর হাসান,একই গ্রামের শামছুদ্দিন মিয়ার ছেলে হারুন মিয়া গণমাধ্যমকর্মীদের জানান আমাদের ইব্রাহিমপুর গ্রামের চিহিৃত চোরাকারবারী তাজুয়ার আফজল শিহাব আইন শৃংখলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে সীমান্ত এলাকা দিয়ে প্রতিরাতে লাখ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ পন্য নিরাপদে তার বাড়িতে এনে বিভিন্ন জায়গাতে সাপ্লাই দিয়ে এক দশকে সে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন। তার এই অবৈধ সম্পদের পাহাড়ের কারণে গ্রাম ও এলাকার মানুষকে তুচ্ছ তাচ্ছুল্যে মনে করে প্রতিটি মানুষের সাথে খারাপ আচরণ করেই যাচ্ছেন। অবিলম্বে এই চোরাকারবারীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছেন।

এ ব্যাপারে চিহিৃত চোরাকারবারী তাজুয়ার আফজল শিহাবের সাথে মোবাইল ফোনে যোগযোগ করা বলে তিনি সংবাদকর্মীদের জানান,তিনি গত ১৭ই আগষ্ট যে র‌্যাবের হাতে ভারতীয় অবৈধ পণ্যসহ গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান জেল কাটার পর থেকে আমি কোন ভারতীয় কোন অবৈধ পণ্য আমদানীর সাথে জড়িত না বলে জানান।

এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোঃ খালেদ চৌধুরী জানান, আমি মাত্র কয়েকদিন হলো এই থানায় যোগদান করেছি। আমি সব বিষয়ে তথ্য নিচ্ছি,তদন্ত সাপেক্ষে দোষী প্রমানিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *