received 382285334148668

স্টাফ রিপোর্টার।

বাংলাদেশের আলোচিত সংসদীয় আসন গোপালগঞ্জ ৩ আসন হতে গণফ্রন্টের মাছ প্রতীকে জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী বিশিষ্ট নারী নেত্রী ও মানবাধিকার নেত্রী সৈয়দা লিমা হাসান ১৬ ডিসেম্বর রাত ১২ ঘটিকার পরে সাভার জাতীয় স্মৃতি সৌধে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের বলেন একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার জন্ম হয়নি তাই আমি মুক্তিযোদ্ধা হতে পারিনি, মহান মুক্তিযুদ্ধ দেখার সৌভাগ্য হয়নি ৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর এর বিজয়ও দেখিনি আজকের বিজয় দিবসের এই দিনে জাতির সূর্যসন্তানদের প্রতি গবীর শ্রদ্ধা জানিয়ে দৃঢ়কন্ঠে বলতে চাই আমি ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির বিজয় দেখতে চাই, যে বিজয় গণতন্ত্রের বিজয় ,সে বিজয় সংবিদন রক্ষার বিজয়,সে বিজয় অসাম্প্রদায়িক চেতনার বিজয়, সে বিজয় সুশাসনের বিজয়।
আমি দেশবাসীকে অনুরোধ করবো আজকের এই বিজয়ের আনন্দ কে বাড়িয়ে দিতে আগামী ৭জানুয়ারি ২০২৪ সারাদেশে ভোট উৎসব পালন করুন এবং জোর কন্ঠে বলুন আমার ভোট আমি দেবো যোগ্য দেখে ভোট দেব , গণতন্ত্রের পক্ষে ভোট দেব, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষে ভোট দেব, দুর্নীতি ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ভোট দেব। সৈয়দা লিমা হাসান আরো বলেন আমাকে গোপালগঞ্জ ৩ আাসনে ভোট করায় জন্য মনোনীত করায় গণফ্রন্টের চেয়ারম্যান জাতীয় রাজনীতিবিদ মোঃ জাকির হোসেন ও পার্টির কেন্দ্রীয় পার্লামেন্টারি বোর্ডকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন আগামী ৭ জানুয়ারি গোপালগঞ্জ ৩ আসনের নারী ভোটার ও নতুনপ্রজন্মের ভোটার ও সাধারণ জনগোষ্ঠীর নিরব ভোট বিপ্লবের মাধ্যমে আমি জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে চাই।
সংসদে গিয়ে অবহেলিত জনগোষ্ঠীর পক্ষে ও সাধারণ জনতার পক্ষে নারী জনগোষ্ঠীর পক্ষে কথা বলতেচা,।
শ্রদ্ধা জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় রাজনীতিবিদ
মুহাম্মদ নাঈম হাসান , মো:হাসান উজ্জজ্জামান, মো: আল আমিন হাওলাদার, আয়েশা আক্তার রুনু ইমন শরীফ, মো:রতন মিয়া, মোঃ সানি, রেহেনা আকতার রেনু প্রমুখ। তিনি মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন আজ ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস। এই দিনটি বাঙালি জাতি হৃদয়ে ধারণ করে সেই ১৯৭১ হতে আজ অবদি উদযাপন করে আসছে। আজ হতে তারই ধারাবাহিকতায় এই মহান দিনটিকে শ্রদ্ধা স্বরূপ আমরা গোপালগঞ্জ বাসীর পক্ষ হতে চির স্মরনীয়তায় সবাইকে শুভেচ্ছা নিবেদন করছি।
সবাইকে জানাচ্ছি বিজয়ের রক্তিম শুভেচ্ছা এবং এই বিজয় অর্জনকারী সকল যোদ্ধাদের প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা।
স্বাধীনতার জন্য দীর্ঘ নয় মাসের এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, প্রায় ত্রিশ লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগ এবং তিন লক্ষাধিক মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে ১৬ই ডিসেম্বর, ১৯৭১ আমরা পেয়েছি প্রিয় এই দেশ, ভাষা ও পতাকা। আত্মোৎসর্গকারী সেই সব ত্যাগী, মহান মানবদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত নাম। দীর্ঘ সময়ের রক্তক্ষয়ী এ সংগ্রামে নিজের মা,বোন,স্ত্রী, সন্তান, পরিবার,পরিজন সহ সবাইকে রেখে দেশ মাতৃকাকে শত্রুমুক্ত করতে কখনো অস্ত্র হাতে, কখনো অস্ত্র ছাড়া মেধা খাটিয়ে এদেশকে বিশ্ব দরবারে লাল-সবুজের নিশান উড়িয়েছেন তাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই। স্বাধীনতার লাল রবি অস্তাচলে যাবার আগেই যে সকল” বীরশ্রেষ্ঠ”তাঁদের রঙিন স্বপ্নকে সাদাকালোয় রূপান্তর করে মাতৃভূমিকে এনে দিয়েছেন তাঁদেরকে জাতি আজ গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে।
বটবৃক্ষের ন্যায় যাঁরা ছায়া দিয়ে যাচ্ছেন শহীদ হবার পরেও, প্রতি পদে যাঁরা আমাদের দেশপ্রেমে উজ্জীবিত করছেন।
লাখো শহীদের আত্মত্যাগ সেইদিনই সফল হবে যখন দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে, নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে, বেকারত্ব, দুর্নীতিমুক্ত, সিন্ডিকেট মুক্ত উন্নয়নের সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে। আমি আপনাদের দোয়াকে পাথেয় করে লাখো শহীদের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করে যেতে চাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *